নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে ছয়জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার জন্য দুই দলই একে অপরকে দায়ী করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।

জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মিডিয়া সেলের প্রধান নুরুল করিম জানান, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় বিএনপির কর্মীরা বাধা সৃষ্টি করে এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে জামায়াতের সাতজন কর্মী আহত হন। আহতরা হলেন—ফয়জুল্লাহ, ইমন, আব্দুল হালিম, শাহে আলম, রায়হান, শামীম ও তানজিল। ঘটনার প্রতিবাদে টবগী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষণিকভাবে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে।

অন্যদিকে বিএনপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে ভিন্ন দাবি করেছে। উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খান বলেন, সকাল সাতটার দিকে জামায়াতের কয়েকজন কর্মী বিএনপির এক কর্মীর বাড়িতে প্রচারণায় যান। সে সময় ওই বাড়ির একজন নারী গোসল করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় বাজার এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে, এতে তাদের চার থেকে পাঁচজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর জামায়াতের কর্মীরা এলাকায় জড়ো হয়ে মহড়া দেয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, গণসংযোগের সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে জানাতে বলা হয়েছে।

Leave a Comment